Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • Facebook
  • X
  • Instagram
Rumana Parvin Rumana Parvin Rumana Parvin
Rumana Parvin Rumana Parvin Rumana Parvin
  • হোম
  • আমার কথা
  • দর্শন
  • নারী ও স্বাধীনতা
  • নাস্তিক্যবাদ
  • পাঠকের মতামত
  • প্রশ্নোত্তর
  • বই আলোচনা
  • ব্লগ
  • মুক্তচিন্তা
  • যুক্তি ও বিজ্ঞান
  • সমসাময়িক ভাবনা
  • সমাজ ও ধর্ম
  • হোম
  • আমার কথা
  • দর্শন
  • নারী ও স্বাধীনতা
  • নাস্তিক্যবাদ
  • পাঠকের মতামত
  • প্রশ্নোত্তর
  • বই আলোচনা
  • ব্লগ
  • মুক্তচিন্তা
  • যুক্তি ও বিজ্ঞান
  • সমসাময়িক ভাবনা
  • সমাজ ও ধর্ম
Close

Search

নাস্তিক্যবাদমুক্তচিন্তাসমাজ ও ধর্ম

নবী মুহাম্মদ কে ছিলেন?

By রুমানা পারভীন
জুন ১৫, ২০২৬

নবী মুহাম্মদ প্রথমত ছিলেন জন্মপরিচয়হীন। পিতা আব্দুল্লাহর মৃত্যুর প্রায় আড়াই বছর পর জন্মগ্রহণ করেন শিশু মুহাম্মদ। গোত্রের লোকমুখে পরিচিত হয়ে উঠবে জারজ সন্তান হিসেবে—এমন শঙ্কা থেকেই মুহাম্মদকে রেখে আসা হয় দূর গ্রামের হামিলা নামক এক মহিলার কাছে। পরবর্তীতে জন্মপরিচয়ের বিষয়টি যখনই আড়াল হয়ে পড়ে, সময়ের ব্যবধানে নিজ গ্রামে প্রত্যাবর্তন করে মুহাম্মদ।

পরবর্তীতে মুহাম্মদের বয়স যখন ২৫, তখন ৪০ বছরের নারী খাদিজাকে বিয়ে করে ঘরজামাই হয়। এরপরই মুহাম্মদ নিজেকে কীভাবে প্রতিষ্ঠিত করা যায় এবং ক্ষমতা ও অঢেল সম্পদের মালিক হওয়া যায়, সে পথ খুঁজতে থাকে।

চৌদ্দশত বছর আগের আরবের পৌত্তলিকেরা শত শত দেবদেবীর পূজা-অর্চনা করত। অসংখ্য মানুষ নিজেদের খোদারও খোদা দাবি করত। এটি ছিল বেশ সাধারণ ব্যাপার। এমনকি আমরা যদি বহুঈশ্বরবাদের দেশ ভারতেও লক্ষ্য করি, সেখানে অসংখ্য দেবদেবীর আরাধনা করা হয়। এবং এমন অসংখ্য মানুষ আছে, যারা নিজেদের সরাসরি এসব দেবদেবী ও খোদার সঙ্গে যোগাযোগ আছে বলে দাবি করেন। ধর্মান্ধ একটি বিশাল গোষ্ঠী এদের সমর্থন এবং এদের সকল ধরনের কার্যক্রমের প্রতি নিজেদের আনুগত্য প্রকাশ করে। একইভাবে নবী মুহাম্মদও সে সময়ে খাদিজার যৌন ক্ষুধা, আভিজাত্য ও সম্পদকে কাজে লাগিয়ে নিজের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে নিজেকে নবী দাবি করেন। স্বাভাবিকভাবেই মুহাম্মদদের জন্মপরিচয় এবং পারিবারিক অবস্থানের কারণে কাছের কিছু ব্যক্তিমানুষ ছাড়া কেউই নবী মুহাম্মদের প্রতি সে বিশ্বাস পোষণ করেনি।

এদিকে ৬৫ বছর বয়সে খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ ইন্তেকাল করেন। এরপর খাদিজার অঢেল সম্পত্তিকে কাজে লাগিয়ে নবী মুহাম্মদ কিছু সমর্থকদের নিজের প্রতি ঈমান আনতে প্ররচিত করে। পরবর্তীতে বিভিন্ন গোত্রের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে এক পর্যায়ে মক্কা ছাড়তে বাধ্য হয় মুহাম্মদ।

মক্কায় ব্যর্থ হলেও মদিনায় নিজের অনুসারিদের কাজে লাগিয়ে ধর্মান্ধ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ধর্মের ভয় প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয় মুহাম্মদ। এরপর একের পর এক যুদ্ধে লিপ্ত হয়।  যুদ্ধে জয়ের পর যুদ্ধে বিন্দিনীদের ক্রমান্বয়ে তাঁর অনুসারীদের মধ্যে যৌনতায় লিপ্ত হতে ভাগ ভাটোয়ারা করে দেওয়া হত। নবী মুহাম্মদের নিজেরই ছিলো দুজন যৌনদাসী। এবং ১১জন স্ত্রী।

এমনকি এই নবী মুহাম্মদ ছিলেন একজন যৌন নিপীড়ক ও শিশু ধর্ষণকারী । মাত্র নয় বছর বয়সী নাবালিকা শিশু আয়েশাকে বিয়ের নামে ধর্ষণ করে নানার বয়সী নবী মুহাম্মদ। নিজের যৌনতার আকাঙ্ক্ষা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিলো যে, নিজের নাতনির বয়সী শিশুকে রাতদিন ধর্ষণ করেছে এ ভন্ড। এমনকি শিশু আয়েশাকে বিয়ের নামে ধর্ষণের নির্দেশ নাকি স্বয়ং আল্লাহ তার নবীকে দিয়েছিলেন। এমন একজন বিকৃত যৌনাচারী কি করে নবী হতে পারে?

এমনকি নিজ পালিত পুত্র জায়েদের সুন্দরী স্ত্রীকেও বিয়ে করেছিলেন নিজ ছেলের সাথে তালাক দিতে বাধ্য করে। বিয়ের আগেও পুত্রের অনুপস্থিতে ত্রিশ পুরুষের যৌন শক্তির অধিকারী নবী মুহাম্মদ তার যৌনাঙ্গে সঙ্গমের তৃপ্তি নিয়েছিলো দিনের পর দিন।

এমন একজন পাপিষ্ঠ কি করে ঈশ্বরের/কথিত আল্লাহর প্রতিনিধি হয়?

ইসলাম প্রতিষ্ঠার  নামে, জিহাদের নামে সাধারণ মানুষের মধরমান্ধতাকে কাজে লাগিয়ে লুটপাট, প্রভাব প্রতিপত্তি ও নিজের অয়াধিপত্য বিস্তার করেছে নবী মুহাম্মদ। শুধুমাত্র ব্যক্তিস্বার্থে নিজের যে বিকৃত যৌন জীবন বাস্তবায়ন ও উপভোগে।

Tags:

ধর্ম প্রচারনবী মুহাম্মদযৌন জীবনশিশু ধর্ষণ
Author

রুমানা পারভীন

Follow Me
Other Articles
Previous

শরিয়াহ ও সেক্যুলার আইনব্যবস্থা: কোথায় ভারসাম্য?

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঠিকানা: লন্ডন, যুক্তরাজ্য
ই-মেইল: rumanaparvin92@outlook.com

Copyright ২০২৬ — Rumana Parvin. All rights reserved.