নবী মুহাম্মদ-থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বলাৎকার (পর্ব ২)
গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকে দেশে ইসলামপন্থীদের উত্থান ঘটেছে। দেশের সাধারন সকল ধর্ম, বর্ণ এবং সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর জন্য আশঙ্কার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাষ্ট্র ক্ষমতার প্যারালালে এক ধরনের সমতা নিয়ে অবস্থান নিয়েছে মৌলবাদ। দাড়ি টুপিওয়ালা জঙ্গিরা দেশে শরিয়াহ আইনের বাস্তবায়ন চায়। কুরানের আইন চায়। এ গোষ্ঠীগুলো নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে এসব আইনের বাস্তবায়ন চায়। যাতে মাদ্রাসাগুলোতে নাবালক শিশুদের বলাৎকার করা যায়। যৌনপীড়ন চালানো যায়। ইমামরা শিশুদের ধর্ষণ করেন ঠিকই, তবে এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এবং দেশে আইন অনুযায়ী তাদের শাস্তি দেওয়া হয় এমন উদারহনও বেশ বিরল।
এ দেশের ধর্ম ব্যবসায়ীরা নাস্তিক। তবে এ শ্রেণীটি বদ নাস্তিক। এরা বদ আস্তিকের মত মানুষকে ধোঁকা দেয়, প্রতারিত করে, নারীর অধিকারে, মানবাধিকারে, বাক স্বাধীনতায়, শিশু অধিকারে বিশ্বাস করে না। শুধুমাত্র ধর্মের নামে, আল্লাহর দয়ায় ও নির্দেশে নবী মুহাম্মদের মত শিশু ধর্ষণ এবং বলাৎকার করে। এবং জায়েজ করে ধর্মের নামে।
এমনকি কুরআনে ধর্ষণ নিষিদ্ধ করার মতো কোনো বিধান নেই। অমুসলিমদের ধর্ষণ করার বিষয়টি অনুমোদিত এবং এতে উৎসাহিতও করা হয়। এমন কিছু সাময়িক বিবাহ প্রথা রয়েছে যেখানে নারীর কোনো সম্মতি থাকে না। এমনকি শিশুদেরও ধর্ষণ করা যেতে পারে, যদি না ধর্ষক তাদের শরীরে বীর্যপাত ঘটায় (আর যদি তা ঘটায়, তবে একমাত্র শাস্তি হলো তাকে মেয়েটিকে বিয়ে করতে হবে—যা ধর্ষকের জন্য কোনো শাস্তিই নয়, বরং ধর্ষণের শিকার মেয়েটির জন্য তা এক চরম শাস্তি)। এটি এক জঘন্য ও বর্বরোচিতইসলাম; মানুষ যদি শান্তিতে বসবাস করতে চায়, তবে একে অবশ্যই নির্মূল করতে হবে।
যেকোনো ধর্মীয় বিশ্বাস, আইন, নীতি বা মতবাদের ঊর্ধ্বে স্থান পাওয়া উচিত নয়। একটি শিশুর নিরাপত্তা এবং তার যৌন পবিত্রতার জন্য একই দেশে শিশু-ধর্ষণ আইন বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও—যে আইনটি শিশুদের সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছিল এবং শৈশবের নিরাপত্তাকে নিশ্চিতে বাংলাদেশের এসব ধর্মীয় মাদ্রাসাগুলো সরকারের উচিত অবলম্বে বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।
লক্ষ লক্ষ মানুষ যখন ধর্মের ছত্রছায়ায় থেকে এমন আচরণ প্রতিনিয়ত করছে। এসব বন্ধে উদ্যোগ বেশ সীমিত।
তখন আপনি কী ভাবছেন—আল্লাহ আইন, কুরান কিংবা প্রাগৈতিহাসিক এপস্টিন, একজন যৌন নিপীড়ক মুহাম্মদের হাদিস এসব অধিকারের বিষয়কে গুরুত্ব দেয়?—তা নিয়ে কার কী এসে যায়?
কথিত মুসলমানের আল্লাহ কী ভাবেন, আপনি কী ভাবেন কিংবা আমি কী ভাবি—এসবের কোনো তোয়াক্কা আমি করি না; আমার কাছে কেবল এটুকুই গুরুত্বপূর্ণ যে মানুষ একে অপরের সাথে কেমন আচরণ করছে। আর যখন আমি এসব আচরণের পেছনের কারণ এবং তা ঘটার পেছনে যেসব হাতিয়ার বা উপায় ব্যবহৃত হয় সে সম্পর্কে জানতে পারি, তখন আমি নিশ্চিতভাবেই সেগুলোকে অসার ও অগ্রহণযোগ্য মনে করি।
আরবের এই ইসলাম, জিহাদ, কুরান এসবকিছুই ধূর্ত নববী মুহাম্মদের নিজস্ব যৌনতা, চাহিদা ও আধিপত্যের কিছু নিদর্শন। এবং নিজস্ব আত্মপ্রচারনা। এবং এই ইসলাম আজ ১৪০০ বছর পরে এসে বাংলাদেশের মত তৃতীয় বিশ্বের সমাজ ব্যবস্থাকে ধর্ষণ, বলাৎকার , নারির অধিকার হরণ ও মানবাধিকার বিরোধী সকল কার্যক্রমকে প্রসারিত করেছে।
বাংলাদেশে ধর্মীয় শিক্ষার নামে, ধর্ম চর্চার নামে শিশুদের উপর যে যৌন সহিংসতা চালানো হয় পর্দার আড়ালে, তা শিশুর মানুষিক বিকাশকে বাধাগ্রস্থ করে। এমন যৌন পীড়নের বিরুদ্ধে সচেতনতা জরুরী। এবং ধর্ম শিক্ষার নামে চরমপন্থা, জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদের প্রসার ঘটনো মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার নামে ধর্মীয় পতিতালয়গুলো বন্ধে সরকারের পাশাপাশি সকল নাগরিকদেরও ভূমিকা রাখতে হবে।