Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • Facebook
  • X
  • Instagram
Rumana Parvin Rumana Parvin Rumana Parvin
Rumana Parvin Rumana Parvin Rumana Parvin
  • হোম
  • আমার কথা
  • দর্শন
  • নারী ও স্বাধীনতা
  • নাস্তিক্যবাদ
  • পাঠকের মতামত
  • প্রশ্নোত্তর
  • বই আলোচনা
  • ব্লগ
  • মুক্তচিন্তা
  • যুক্তি ও বিজ্ঞান
  • সমসাময়িক ভাবনা
  • সমাজ ও ধর্ম
  • হোম
  • আমার কথা
  • দর্শন
  • নারী ও স্বাধীনতা
  • নাস্তিক্যবাদ
  • পাঠকের মতামত
  • প্রশ্নোত্তর
  • বই আলোচনা
  • ব্লগ
  • মুক্তচিন্তা
  • যুক্তি ও বিজ্ঞান
  • সমসাময়িক ভাবনা
  • সমাজ ও ধর্ম
Close

Search

মুক্তচিন্তাসমাজ ও ধর্ম

নবী মুহাম্মদ-থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বলাৎকার (পর্ব ১)

By রুমানা পারভীন
জুন ২৩, ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টা এবং পরবর্তীতে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

তথ্যসূত্রঃ আলোকিত বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য বাংলাদেশের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনাপ্রবাহে পরিণত হয়েছে এমন সংবাদ। নাগরিক সমাজে এমন সংবাদ বাংলাদেশের শিশু অধিকার ও শিশুর যৌন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে জিঞ্জাসা, জানার আগ্রহ এবং আইনের প্রয়োগ নিয়ে রাষ্ট্র ব্যবস্থার সক্ষমতার বিষয়কে প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।

বাংলাদেশে মাদ্রাসায় শিশু ধর্ষণ/ বলাৎকারের মত ঘটনাগুলো প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকলেও এসবের বিষয়ে এখনও কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। বাঙালি মুসলমানরা যতনা ধর্মভীরু তারচেয়ে বেশি ধর্মান্ধ।

কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে দেশে আকস্মিক ভাবে জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ এবং চরমপন্থার সাথে বেশ উদ্বেগজনক হারে মাদ্রাসাগুলোতে বেড়েছে শিশু বলাৎকারের হার। এর প্রধান কারণ দেশের মৌলবাদী ধর্মীয় মাদ্রাসাগুলো। মসজিদ, মাদ্রাসায় প্রতিদিন ধর্ষণ ঘটছে। আল্লাহর নামে ধর্ষণের উন্মাদনায় মেতে উঠছে কথিত ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত আলেমরা। মাদ্রাসার ধর্ষক- শিক্ষক, মসজিদের ধর্ষক-ইমামেরা বিশ্বাস করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লেই তাদের পাপ-মুক্তি ঘটবে, কারণ আল্লাহ ক্ষমাশীল। দেশটাকে পরিকল্পনা করেই ধর্ষক আর খুনিদের দেশ বানানো হচ্ছে।

পবিত্র আল্লাহর কাছে মুমিন এই বান্দারা ক্ষমা পাবার প্রত্যাশা করতেই পারে। কারন আল্লাহর কাছে আছে উদারতা। একটি উদাহরণ দেওয়া যাক, নবী মুহাম্মদের জীবনী থেকে। নবী মুহাম্মদ মাত্র ৬ বছর বয়সে শিশু আয়েশাকে বিয়ের নামে দিনের পর দিন শিশু নির্যাতন  ও ধর্ষণ করেছে। এবং বিয়ের অনুমতি আল্লাহর পক্ষ থেকে পেয়েছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়। কিছু হাদিসে বর্ণিত আছে যে নবী স্বপ্নে আয়িশাকে দেখেছিলেন এবং এটিকে আল্লাহর নির্দেশ বা ইশারা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। একটি বর্ণনা রয়েছে যেখানে নবী বলেন যে তাঁকে স্বপ্নে আয়িশাকে দেখানো হয়েছিল উদাহরণস্বরূপ,

বুখারির শরিফে বলা আছে নবী মুহাম্মদকে তাঁর আল্লাহ স্বপ্নে বলা হয়েছিল, “এ তোমার স্ত্রী।”

শিশু আয়েশাকে স্বপ্নে নগ্ন অবস্থায় দেখে যৌন ক্ষুদায় কাতর হয়ে পড়েন মুহাম্মদ। এরপর নাজিল করেন আল্লাহর নির্দেশ। শিশু আয়েশাকে যখন বিয়ে করে নবী মুহাম্মদের বয়স তখন ৫৩। বুড়ো মুহাম্মদ যে কিনা ত্রিশ পুরুষের যৌন শক্তির অধিকারী,  ৬ বছর বয়সী আয়েশার উপর যৌন উৎপীড়ন চালায় দিনের পর দিন। আয়েশার আর্তনাদ ধর্ষণে সহায়তাকারী আল্লাহর দরবারে পৌঁছেনি। পৌঁছেছিলো নবী মুহাম্মদের যৌন ক্ষুধার বাসনা। মহান আল্লাহ তাঁর নবীর যৌনতা বুঝে কিন্তু একটি অসহায় শিশুর আর্তনাদ বুঝে না।

ধর্মান্ধ মুসলমানের এ আল্লাহ নাকি প্রঞ্জাবান, ন্যায় বিচারক!

Tags:

ইসলামমানবাধিকারশিশু ধর্ষণ
Author

রুমানা পারভীন

Follow Me
Other Articles
Previous

নবী মুহাম্মদ কে ছিলেন?

Next

নবী মুহাম্মদ-থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বলাৎকার (পর্ব ২)

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঠিকানা: লন্ডন, যুক্তরাজ্য
ই-মেইল: rumanaparvin92@outlook.com

Copyright ২০২৬ — Rumana Parvin. All rights reserved.